- কে | রি | য়া | র-ক্যা | ম্পা | স
- জুন ৪, ২০২২
শিশু বিকাশে মেধার নবীন বিকাশ। ছাত্রীরা এগিয়ে। ৮০ শতাংশের ঊর্দ্ধে নম্বর ৮০ শতাংশ পড়ুয়ার।
মাধ্যমিক দক্ষিণ ২৪ পরগণার মকরমপুর শিশু বিকাশ একাডেমির রেজাল্ট আগের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছে । পরীক্ষায় বসেছিল ১০৮ ছাত্রছাত্রী । কেউ ফেল করেনি। ৮০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে ৮০ শতাংশেরও অধিক ছাত্রছাত্রী। প্রায় শতাংশ প্রথম ডিভিশনে উত্তীর্ণ। গ্রামীন যে কোনওশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো পাসের হারে, সাফল্যে ছাত্রীদের উজ্জ্বলতার পরিধি বিস্ময়কর সত্য। ছাত্র-ছাত্রীরা এক সঙ্গে পড়ছে। বেশির ভাগ ছাত্র গ্রামীন এলাকার বাসিন্দা। আবাসিক স্কুল। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা আসে। কেবল অনগ্রসর সমাজের সদস্য নয় তারা। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা এ আদর্শ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। আইন বিশেষজ্ঞ মুন্সি আবুল কাশেমের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান। বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমকে সমানভাবে গুরুত্ব দেন কর্তৃপক্ষ। সরকারি বা বেসরকারি অর্থ সাহায্য নেওয়া হয় না। শিক্ষকদের বেতন, অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ প্রতিষ্ঠানই বহন করে এবং গরিব পড়ুয়াদেরও পাশে দাঁড়ায় ।
দেখতে দেখতে স্কুলটি সাবালক হয়ে উঠছে। সাফল্যে, খ্যাতিতে অন্যান্যদের সঙ্গে রীতিমত পাল্লা দিচ্ছে। মুন্সি আবুল কাশেম প্রায় সারাদিন স্কুলে পড়ে থাকেন। প্রবীণ হলেও উদ্যম অক্লান্ত। সংস্কৃতি মনস্ক, সমাজমনস্ক মানুষ । প্রাথমিক স্কুল দিয়ে শিশু বিকাশের আরম্ভ । এখন মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, বিএএড পর্যন্ত বিস্তৃত তার পঠন-পাঠন। ভবিষ্যতে সম্ভবত সায়েন্স আর্টসের কলেজও গড়ে উঠবে। প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসটি প্রশস্ত। বহু একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত। সায়েন্স ল্যাব সমৃদ্ধ । অবসর সময়ে পড়ুয়াদের খেলাধূলোর ব্যবস্থা যথেষ্ট পাকাপোক্ত। আয়তন আর পুস্তক সংগ্রহে লাইব্রেরিটিও অনুকরণযোগ্য আদর্শ। এরকম স্কুলের ধারাবাহিক অগ্রগতি স্বাভাবিক । মুন্সি আবুল কাশেম পেছনর দিকে তাকাতে অভ্যস্ত নন। বর্তমান আর ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যস্ত। বললেন, মাধ্যমিকে পড়ুয়াদের সাফল্যে আমি খুশি। চাকুরে নয়, যথার্থ মানুষ হিসেবে তাদের গড়ে তোলার চেষ্টা করি। চারিত্রিক গঠনের ওপর গুরুত্ব দিই। স্কুল কমিটির নতুন প্রজন্মের মধ্যেও সাধনার মন্ত্রবীজ অঙ্কুরিত ।
❤ Support Us








