- Uncategorized এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ১৪, ২০২৪
কারা দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্ব চন্দ্রনাথ সিংহকে। কল্যানপ্রসূ ভাবনা যোগ করবেন গণিতের ছাত্র
মন্ত্রিসভায় আবার সংক্ষিপ্ত রদবদল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় । ক্ষুদ্র কুটির ও বস্ত্রশিল্প মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহকে কারামন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নবান্ন থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বুধবার জানিয়ে দেওয়া হয়, চন্দ্রনাথকে কারা দফতরেরও দেখভাল করার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের অনুমোদন দিয়েছে রাজভবন।
আশা করা হচ্ছে পরিশ্রমী চন্দ্রনাথ সিংহ শীঘ্রই কারাদফতরেরও কাজকর্ম শুরু করবেন।চন্দ্রনাথ সিংহ গোড়া থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত। বীরভূমের তৃণস্তর আর ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতা।বিশ্বভারতীতে অঙ্ক নিয়ে পড়াশুনো করেছেন।ভালো ছাত্র। বনেদি, পরিশ্রমী পরিবারের সন্তান। জন্মসূত্রে কংগ্রেসি এবং তখনকার অগ্নিকন্যার প্রশ্নহীন কর্মী। মমতা বন্দোপাধ্যায় যখন বিদ্রোহ করে তৃণমূল গড়ে তুললেন, চন্দ্রনাথও তাঁর অনুগামীদের নিয়ে দিদির ডাকে হাতে তুলে নিলেন ঘাসফুলের শাণিত সবুজ। ২০০১ সালে দলনেত্রী চন্দ্রনাথ সিংহকে টিকিট দিয়ে জিতিয়ে আনলেন বিধানসভায়।মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পরপর তিন মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন চন্দ্রনাথ।জেলা সংগঠনের নেপথ্যে দলেরই কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় তাঁকে। রাজনৈতিক অথবা সরকারি প্রভাব প্রয়োগ করতে কখনো দেখা যায়নি চন্দ্রনাথকে।তাঁর স্বভাব আর কাজের ধরণ পুরোপুরি স্বতন্ত্র। স্বল্পভাষী। সংযত আচরণে অভ্যস্ত।দীঘা, শঙ্করপুর ও অন্যান্য অঞ্চলে মৎসদফতর গতিশীল হয়ে ওঠে তাঁর তদারকিতে।বর্তমান মন্ত্রিসভায় চন্দ্রনাথকে ক্ষুদ্রকুটির ও বস্ত্র দফতরের পরিচালনার দায়িত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী।এখানেও পূর্ণ মন্ত্রিত্বকে, মুখ্যমন্ত্রীর অভিপ্রায়কে সাজিয়ে তুলতে শুরু করেন নব উদ্যোমে।তন্তুজ ও গ্রামীণ বস্ত্র উৎপাদনকে বাজারমুখী, বাজারজাত করে তুলতে চন্দ্রনাথ যে কর্ম সংস্কৃতি, যে স্বতঃস্ফূর্ততা নির্মাণ করেছেন, তাতে দফতরের আমলা থেকে সাধারণকর্মীরা সকলেই এক মনে, একই গন্তব্যের সহযোগী।
ক্ষুদ্র কুটির বস্ত্র শিল্প দফতরকে চন্দ্রনাথ যেভাবে, যতটা চাঙ্গা করতে সক্ষম হয়েছেন, যেভাবে মৎসচাষকে জলাভূমির ভেতরে, নদীপথে, উপকূলে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, অনুমান করা হচ্ছে সে-ভাবেই তাঁর তৎপরতায় রাজ্যের কারা দফতর অন্যরকম চেহারা ধারণ করবে। মনোহর স্বভাবের স্রোত যেমন কাদামাটিতে পড়লেও স্রোতের অভ্যাস জেগে থাকে, তেমনি দক্ষতা; আনুগত্যপ্রীতি আর দলীয় আদর্শের প্রতি সমর্পিত ব্যক্তিসত্তা ইট-কংক্রিটের ওপরেও জাগিয়ে তোলে কল্যানপ্রসূ ভাবনার সতর্ক প্রহরীকে। সহজিয়া বিশ্বাস, এই পথেই অন্তরা, এই পথেই বাংলার কারা দফতরে সবুজিত চন্দ্রোদয় ঘটবে।
❤ Support Us








