- বি। দে । শ
- জুন ১২, ২০২৪
রাশিয়া ইউক্রেন সংঘর্ষের বলি দুই ভারতীয়।রুশ সেনাবাহিনীতে জোড় করে নিয়োগের অভিযোগ, মস্কোকে কড়াবার্তা নয়াদিল্লির
নিহত দুই ভারতীয়র দেহ ফেরত আনতে তৎপরতা শুরু
ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের বলি হলেন দুই ভারতীয়। নিহত দুজন রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করছিলেন। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, নয়াদিল্লিতে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে এবং মস্কোতে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে রাশিয়ার প্রশাসনের কাছে বিষয়টি দৃঢ়ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তারা আবেদন জানিয়েছে, রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের অবিলম্বে দেশে ফেরানো হোক।
মৃতদের পরিবারের উদ্দেশ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘আমরা নিহত সৈনিকদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি এবং রাশিয়ার প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে মৃতদেহ দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। ‘ মৃত দুই ভারতের কোন অঞ্চলের বাসিন্দা ছিলেন , তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক।
সরকারের তরফে চেষ্টা চালানো হচ্ছে , যেন আর কোনও ভারতীয়কে রাশিয়ার সেনাতে ভর্তি না করা হয়। ভারত জানিয়েছে,এই ধরণের কার্যকলাপ রাশিয়া-ভারত সম্পর্কের পরিপন্থী। পাশাপাশি , ভারতীয় নাগরিকদের আবেদন জানানো হয়েছে, রাশিয়াতে চাকরি খুঁজতে যাওয়ার আগে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
গত বছর মার্চ মাসে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে কর্মরত দুই ভারতীয় একইভাবে নিহত হয়েছিলেন। জানা গেছে, তাঁদের বলপূর্বক সেনাবাহিনীতে ঢোকানো হয়েছিল। ওই দুই সৈনিক হেমিল অশ্বিনভাই মাঙ্গুকিয়া ও মোহাম্মদ আস্ফান যথাক্রমে সুরাত ও হায়দ্রাবাদের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁদের পরিবারের দাবি ছিল, তাঁদের দুজনকে সেনাবাহিনীতে সাহায্যকারী রূপে নিযুক্ত করা হলেও তাঁদের জোর করে যুদ্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়ালের মতে, রাশিয়াতে এমন প্রায় ২০ জন ভারতীয় নাগরিক আছেন, যারা যেভাবেই হোক দেশে ফিরতে চাইছেন। তিনি জানিয়েছেন , রাশিয়ার প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করার ফলে , তারা বাধ্য হয়ে বহু ভারতীয়কে সেনাবাহিনী থেকে মুক্তিও দিয়েছে।জানা গেছে ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে প্রায় ১৮ জন ভারতীয়কে রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তবর্তী মারিওপোল, খারকিভ, দোনেৎস্ক, রোস্তোভ-অন-দনে যুদ্ধ করতে রীতিমতো বাধ্য করা হয়েছে। ।জানা গেছে, এই নিয়োগ সংক্রান্ত কাজে যুক্ত আছেন একাধিক ‘এজেন্ট।’ ‘সেনা নিরাপত্তা সহকারী’ নামক পদের জন্য বেশ কিছু ভারতীয়কে সেখানে নিয়োগ করার পর তাঁদের জোর করে যুদ্ধ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এমনকি তাঁদের যে পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা ছিল, তাও দেওয়া হয়না বলে জানা গেছে।
❤ Support Us







