- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- জুন ২৫, ২০২৬
ভিনিসিয়াসের পায়ে সাম্বার ঝলক, মাঠে ফিরলেন নেইমার, স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে নক আউটে ব্রাজিল
প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র। কার্লো আনসেলোত্তির দলের খেলা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন ব্রাজিল সমর্থকরা। প্রথম ম্যাচে ধাক্কা খেয়ে দারুণ প্রত্যাবর্তন ব্রাজিলের। পরের ম্যাচে হাইতির বিরুদ্ধে ৩-০ ব্যবধানে জয়। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধেও সাম্বার ঝলক। স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপে শীর্ষস্থান দখল করে বিশ্বকাপের নক আউটে ব্রাজিল। অন্য ম্যাচে হাইতিকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে নক আউটে পৌঁছেছে মরক্কোও।
প্রতিযোগিতা যত এগোচ্ছে, ততই ছন্দে ফিরছে ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেন ভিনিসিয়াস, কুনহা, গুইমারেজরা। প্রথম ম্যাচ থেকেই দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন ভিনিসায়াস জুনিয়র। মরক্কোর বিরুদ্ধে তাঁর গোলেই সমতা ফিরিয়েছিল ব্রাজিল। হাইতির বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে দলকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দিয়িছিলেন। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধেও তাঁর পায়ে সাম্বার ঝলক। জোড়া গোল কতরে ম্যাচের নায়ক।
শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলে ম্যাচের ৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভিনিসিয়াস। বল পায়ে থাকা স্কটিশ ডিফেন্ডার স্কট ম্যাকেনাকে তাড়া করেছিলেন রায়ান। ম্যাকেনার বল ক্লিয়ার করতে পারেননি। তাঁর কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে ভিনিসিয়াসকে পাস বাড়ান রায়ান। ঠান্ডা মাথায় স্কটল্যান্ড গোলকিপার অ্যাঙ্গাস গানকে কাটিয়ে বল জালে পাঠান ভিনিসিয়াস। ২৬ মিনিটে আবার স্কটল্যান্ডের জালে আবার বল পাঠিয়েছিলেন ভিনিসিয়াস। আগে ফাউল হওয়ায় রেফারি গোল বাতিল করেন। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ব্রুনো গুইমারেজের সেন্টার থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ভিনিসিয়াস। বিশ্বকাপে ৫ গোল করে স্পর্শ করলেন লিওনেল মেসিকে।
দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ব্রাজিলের দাপট। গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণে উঠে আসে স্কটল্যান্ড। রক্ষণে অনেক ফাঁক তৈরি হয়। সেই সুযোগে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে ব্রাজিল। ম্যাচের ৫১ মিনিটে ভিনিসিয়াসের সামনে হ্যাটট্রিকের সুযোগ এসেছিল। তাঁর শট দারুণ দক্ষতায় বাঁচিয়ে দেন অ্যাঙ্গাস গান। এক মিনিট পরই বারের ওপর দিয়ে বল উড়িয়ে দেন ভিনিসিয়াস। অবশেষে ৬০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ম্যাথিউস কুনহা। কাসেমিরোর ফ্রিকিক থেকে ডানদিকে বল পেয়ে স্কটিশ গোলকিপার অ্যাঙ্গাস গানকে ড্রিবল করে বল জালে পাঠান।
অবশেষে ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আসে সেই প্রতিক্ষিত মুহূর্ত। আগের দিনই নেইমারকে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে কিছু সময়ের জন্য মাঠে নামানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনসেলোত্তি। এদিন জয় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর ম্যাচের ৭৬ মিনিটে কুনহার পরিবর্ত হিসেবে তিনি নেইমারকে মাঠে নামান। ২০২৩ সালের অক্টোবরে দেশের জার্সিতে তিনি শেষবার খেলেছিলেন। ৯৮১ দিন পর আবার মাঠে নামলেন। নেইমার মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে ‘ওলে ওলে নেইমার’ স্লোগান। যদিও মাঠে নেমে খুব বেশি কিছু করতে পারেননি নেইমার। তাঁর মাঠে ফেরাটা অবশ্য ব্রাজিলের কাছে আশার আলো।
❤ Support Us







