- এই মুহূর্তে দে । শ
- অক্টোবর ৩০, ২০২৩
স্তিতিশীল জ্যোতিপ্রিয়। ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিট থেকে কেবিনে বনমন্ত্রী।ইডির দফতর থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন না জ্যোতিপ্রিয়র দাদা
সোমবার সকাল ১০টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে এক পাতার একটা চিঠি জমা দিতে এসেছিলেন রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রীর দাদা দেবপ্রিয় মল্লিক। প্রায় ঘন্টা দেড়েক পর ইডির দফতর থেকে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জ্যোতিপ্রিয়র দাদা দেবপ্রিয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “চিঠিতে কি আছে সেটা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও ইডি বলতে পারবে। এসব প্রশ্ন ইডিকে জিজ্ঞাসা করুন।” এদিক সাংবাদিকরা জ্যোতিপ্রিয়র দাদাকে জ্যোতিপ্রিয়র স্বাস্থ্যের সম্পর্কে প্রশ্ন করে জানতে চান, বলেন সোমবার কি জ্যোতিপ্রিয়কে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে? উত্তরে দেবপ্রিয় বলেন, “এটা চিকিৎসকরা বলতে পারবেন। হাসপাতালে জিজ্ঞাসা করলে ভালো হয়।” এসব বলে তিনি দ্রুত গাড়িতে উঠে সিজিও কমপ্লেক্স ছাড়েন। ধৃত মন্ত্রীর দাদা বুঝিয়ে দেন, তিনি এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না। এদিকে রবিবার মন্ত্রীর কন্যা প্রিয়দর্শিনী মল্লিক সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে একটি চিঠি নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে ইডি দফতর বন্ধ থাকায় তিনি ফিরে আসেন, সেই চিঠি জমা দিতে পারেননি। সোমবার সেই চিঠিই তিনি জমা দিতে গিয়েছিলেন বলে দেবপ্রিয় মল্লিক জানান।
সোমবার ইডি দফতরে গিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়ের আপ্তসহায়ক অমিত দে। বেশ কিছু নথি নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকেন। ইডির দফতরে ঢোকার আগে অমিত বলেন, ‘‘আমার কাছ থেকে একটা নথি চেয়েছিল। আমার বাড়ির দলিলের একটা কাগজ দিতে এসেছি।’’ এর আগে একাধিক বার অমিতকে সিজিওতে তলব করা হয়েছে। প্রথম দিন জ্যোতিপ্রিয়ের পাশাপাশি, তাঁর বাড়িতেও ইডি তল্লাশি চালায়। তিনি বাড়িতে ছিলেন না। সপরিবার পুরী ঘুরতে গিয়েছিলেন। ইডি এসেছে শুনে তড়িঘড়ি বিমান ধরে পরিবার নিয়ে ফিরে আসেন অমিত।
এদিকে বাইপাস সংলগ্ন হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিট থেকে সরিয়ে আনা হয়েছে ইডির হাতে ধৃত রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের একটি কেবিনে আছেন। শুক্রবার আদালতে শুনানি চলাকালীন হঠাৎ মন্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে এই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। তাপর থেকে মন্ত্রীর অসুস্থতার বিষয়ে সব রকমের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে। সেই সব পরীক্ষার রিপোর্টও দেখেছেন চিকিৎসকেরা তার পরেই নেওয়া হয়ছে এই সিদ্ধান্ত। হাসপাতালের তরফে একজন মনোবিদও মন্ত্রীকে দেখে বলেছেন, দুশ্চিন্তার থেকে তিনি অসুস্থ বোধ করছেন। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন মন্ত্রীর রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি আছে তার সঙ্গে অন্যান্য শারীরিক জটিলতাও তাঁর রয়েছে। সব কিছুর সঠিক ভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা হওয়া দরকার। সেই কারণের মন্ত্রীকে পর্যবেক্ষণে রাখার প্রয়োজন আছে। শনি এবং রবিবার মন্ত্রীর শারীরিক হৃদযন্ত্রের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য হল্টার মনিটরিং করা হয়। এমআরআইও করা হয়েছে ।
হাসপাতাল সূত্রে জানান হয়েছে, হল্টার মনিটরিংয়ে যা তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাতে খুব চিন্তার কিছু নেই। তবে এমআরআই রিপোর্টে কিছু পাওয়া গিয়েছে কি না, সে ব্যাপারে হাসপাতাল থেকে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। তবে এমআরআই রিপোর্ট আসার পরই ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিট থেকে বার করে কেবিনে রাখা হয়েছে, তবে মন্ত্রীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে কবে, সেটা এখনও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়নি।
❤ Support Us








