Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ৩১, ২০২৬

মহারাষ্ট্রে বাড়ি ধসে বিপর্যয়! মৃত অন্তত ৬, ধ্বংসস্তূপে আটকে একাধিক, জোরকদমে চলছে উদ্ধার অভিযান

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
মহারাষ্ট্রে বাড়ি ধসে বিপর্যয়! মৃত অন্তত ৬, ধ্বংসস্তূপে আটকে একাধিক, জোরকদমে চলছে উদ্ধার অভিযান

মহারাষ্ট্রের থানে জেলার ভিওয়ান্ডিতে গভীর রাতে ভয়াবহ বাড়ি ধসের ঘটনায় অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনো ছয় থেকে আটজন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্ধারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, থানে ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স, দমকল, পুলিশ এবং পুরসভার আধিকারিকরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ ভিওয়ান্ডির বালাজি নগর এলাকার কোহিনুর বিল্ডিংয়ের চারতলা আবাসনের একটি বড় অংশ আচমকাই ভেঙে পড়ে। বিকট শব্দে বাড়ির একাংশ ধসে পড়তেই গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে যোগ দেয় এনডিআরএফ, টিডিআরএফ, দমকল, পুলিশ ও পুরসভার দল। উদ্ধার অভিযানে ডগ স্কোয়াড, একাধিক ফায়ার ইঞ্জিন, অ্যাম্বুল্যান্স এবং ভারী আর্থমুভিং যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া বাসিন্দাদের জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের ভিতরে এখনও কয়েকজন আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ধাপে ধাপে অভিযান চালানো হচ্ছে, যাতে আরও কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয়।

প্রাথমিকভাবে ধ্বংসস্তূপ থেকে কয়েকজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রথমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ছয়ে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযান এখনও শেষ না হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, কোহিনুর বিল্ডিংটি দীর্ঘদিন ধরেই জীর্ণ অবস্থায় ছিল। কয়েকটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভবনটি খালি করার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেখানে মেরামতির কাজ চলছিল। যদিও এই বিষয়ে প্রশাসনের তরফে এ পর্যন্ত চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি। বাড়ি ধসের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভিওয়ান্ডিতে বর্ষাকালে পুরনো ও জীর্ণ ভবন ধসে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। প্রবল বৃষ্টির সময় এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ফের একবার শহরের পুরনো আবাসনগুলির নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!