- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুন ২০, ২০২৩
ঠাকুরবাড়িতে অশান্তির ঘটনায় ডিজিকে সিট গঠনের নির্দেশ দিল আদালত
ঠাকুর বাড়িতে অশান্তির ঘটনায় সিট গঠনের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। রাজ্য পুলিশের ডিজিকে আদালত এই সিট গঠনের নির্দেশ দিয়ে আদালত বলেছে এডিজি পদমর্যাদার কাউকে মাথায় রেখে এই সিট গঠন করে ঘটনার তদন্ত করে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে।
গত ১১ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নব জোয়ার যাত্রার সময় উত্তর ২৪ পরগণার মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে যান, তা নিয়ে ঠাকুরবাড়িতে অশান্তি হয়। এমনকি এই ঘটনায় বেশ কিছু মানুষ আহত হন। এর পরই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। শান্তনুর মামলা ও সেই অশান্তির ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজিকে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট গঠনের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট । শান্তনু ঠাকুরের মামলার প্রেক্ষিতেই ডিজিকে সিট গঠনের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট ।
গত ১১ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুরবাড়ি যাওয়া নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড শুরু হয়। ঠাকুরবাড়ির মূল মন্দিরে কেন পুলিশ ঢুকেছে তার প্রতিবাদে শান্তনু ঠাকুর নাট মন্দির থেকে রাজ্য পুলিশ বাহিনীকে বার করে মন্দিরের গেটে তালা দিয়ে দেন। অভিষেকের ঠাকুরবাড়ি আসাকে কেন্দ্র করে তৈরি গেট ভেঙে ফেলা হয়। মতুয়া মহা সংঘের বহু মানুষ অভিষেকের ঠাকুর বাড়িতে আাসা নিয়ে পুলিশের অতি সক্রিয়তায় গুরুতর আহত হন বলে শান্তনু ঠাকুর অভিযোগ করেন। শান্তনু ঠাকুর অভিযোগ করেন, “একজন সাধারণ সাংসদ ঠাকুর বাড়ি আসার জন্য এতো পুলিশ কিসের জন্য এসেছে?” শান্তনু ঠাকুরের আরও অভিযোগ ছিল, “অভিষেক আসার আগে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও সুজিত বসু ঠাকুর বাড়ির দখল নিয়ে নেয়। ওইদিন রথযাত্রা নিয়ে মতুয়া মহাসংঘের প্রস্তুতি বৈঠক ছিল। এই ভক্তদের ওপর আক্রমণ হয়। কয়েকজন আহত হলে কাজিপাড়া হাসপাতালে তাদের নিয়ে গেলে সেই হাসপাতালে গিয়েও তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায় এমনকি আমার গায়ে পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ হাত দেয়।”
এদিকে ১১ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়া ঠাকুর বাড়ির মূল মন্দিরে ঢুকতে না পেরে পাশের মন্দিরে পুজো দেন। অভিষেক বলেন, “আমি চাইলে পাঁচ মিনিটে ঢুকতে পারতাম। আমরা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। তবে আমি আবার তিন মাস পরে এখানে আসব। ঠাকুর বাড়ি কারও পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। শান্তনু ঠাকুর যে বাড়িতে থাকেন সেই বাড়ির বিদ্যুৎ, জল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া। যে রাস্তা দিয়ে হাঁটেন সেই রাস্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করে দেওয়া।”
❤ Support Us








