- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ২০, ২০২৫
ধর্মতলায় আইএসএফ-এর প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার ! পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ, আটক নওশাদ সিদ্দিকী
ধর্মতলার রাস্তায় বুধবার দুপুরে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল। সংশোধিত ওয়াকফ আইন, ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনী বাতিল-সহ ৪ দফা দাবিতে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ-এর প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মিছিল আটকালে, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন দলের কর্মী-সমর্থকেরা। উত্তেজনা চরমে ওঠে যখন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে আটক করে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, মিছিল থামাতে গিয়ে পুলিশের এক কর্মী বিধায়কের বুকে ঘুষি মারেন। লুটিয়ে পড়েন নওশাদ। এরপরই তেতে ওঠে পরিস্থিতি। পুলিশের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে মেট্রো চ্যানেল চত্বরে বিক্ষোভ আরো ঘনিয়ে ওঠে। নওশাদকে টেনে-হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলার দৃশ্য মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। আটকে পড়ে যান চলাচল, ধর্মতলা চত্বরে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। আইএসএফের অভিযোগ, পুলিশের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে কোনো প্ররোচনা ছাড়াই ঝাঁপিয়ে পড়ে পুলিশ। চোখের সামনে বিধায়কের উপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন সমর্থকেরা। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চাইলে ফের বাধা দেয় পুলিশ। শুরু হয় নতুন করে ধস্তাধস্তি। পরিস্থিতি এতটাই ঘোলাটে হয়ে ওঠে যে, শেষ পর্যন্ত বহু কর্মীকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। রাস্তায় বসে পড়ে প্রতিবাদ জানান অনেকেই। নওশাদ সিদ্দিকীর অভিযোগ, ‘পুলিশ আমার জামার কলার ধরে বুকে ঘুষি মেরেছে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়েছে। গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার কেড়ে নিচ্ছে সরকার’। তিনি আরো বলেছেন, ‘পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কুম্ভীরাশ্রু দেখান। আর আমাদের কলার ধরে ভ্যানে তোলে।’
অন্যদিকে পুলিশের দাবি, মিছিলের কোনো অনুমতি ছিল না। তাঁদের বক্তব্য, অনুমতি ছাড়াই জনবহুল এলাকায় জমায়েত করে আইন ভাঙেন আইএসএফ কর্মীরা। বারংবার সতর্ক করা সত্ত্বেও মিছিল এগোতে থাকে। বাধা দিতে গেলে পাল্টা প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয় পুলিশকে। সে সময়েই শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয় অতিরিক্ত বাহিনী। উত্তপ্ত এ ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শাসক দল মুখে না খুললেও আইএসএফ নেতৃত্বের অভিযোগ, শাসক দলের নির্দেশে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাঁদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।
❤ Support Us








