- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ২৫, ২০২৬
‘জনতার দরবার’-এ চাকরিপ্রার্থীদের ঢল, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর কাছে সমাধানের আর্জি সল্টলেকে
সল্টলেকের বিজেপির রাজ্য দফতরে সোমবার সকাল থেকেই ছিল উপচে পড়া ভিড়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষিত ‘জনতার দরবার’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে চাকরিপ্রার্থী এবং চাকরিহারাদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা সেখানে জড়ো হন। বিশেষ করে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারানো প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের প্রতিনিধিরাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন।
বিজেপির তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, প্রতি সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই কর্মসূচির দ্বিতীয় সপ্তাহেও সোমবার সকাল থেকেই মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা যায় বিজেপি দফতরের সামনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তারক্ষীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়।
খবর অনুযায়ী, চাকরিপ্রার্থীদের প্রায় ১৫টি সংগঠনের প্রতিনিধি এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের সঙ্গে বন্ধ ঘরে বৈঠকও করেন শুভেন্দু। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের একাধিক সদস্য, যার মধ্যে লকেট চট্টোপাধ্যায় ও শশী অগ্নিহোত্রীর নাম উল্লেখযোগ্য। তাঁরাই মূলত ‘জনতার দরবার’ কর্মসূচির তদারকি করেন।
চাকরিপ্রার্থীদের এক প্রতিনিধি বলেন, “অনেক আশা নিয়ে আমরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। আগের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বহুবার দেখা করার চেষ্টা করেও সুযোগ পাইনি। শুভেন্দু অধিকারী আগেও আমাদের পাশে ছিলেন, এখনও সরাসরি কথা বলার সুযোগ দিচ্ছেন। ২৬ হাজার চাকরিহারাদের মধ্যে যাঁরা যোগ্য, তাঁদের দ্রুত সমাধান চাই।”
গত সোমবারও একই ধরনের কর্মসূচিতে বহু সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছিলেন। অনেকেই পরে জানান, সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে তাঁরা স্বস্তি পেয়েছেন এবং সমস্যার সমাধানের আশ্বাসও পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে চাকরি দুর্নীতির অভিযোগ ছিল বিজেপির অন্যতম প্রধান ইস্যু। ফলে ক্ষমতায় আসার পর চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে নতুন সরকার কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
❤ Support Us









