- এই মুহূর্তে
- মে ৩০, ২০২২
দুর্ভোগ। দক্ষিণ আসামে অকালের সঙ্কেত।হাফলং-এ ভয়ঙ্কর ধস, দক্ষিণ আসাম, ত্রিপুরা বিচ্ছিন্ন।
নিশ্চিহ্ন বহু গ্রাম, বহু রেল শহর ।
বন্যায় নিশ্চিহ্ন ঐতিহ্যবাহী হাফলং স্টেশন। পাহাড়ি রেললাইনের বেশ কয়েকটি স্টেশনও মুছে গেছে । লামডিং বদরপুর রেল যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ। বর্ষায় পাহাড়ি রেলপথে, সড়কপথে প্রতিবছর দুর্যোগে দেখা দেয়। পুরনো রেললাইনের ম্যাপ বদলের পর এরকম সঙ্কট এই প্রথম। ব্রিটিশদের তৈরি মিটার গেজ আর নেই। নতুন ব্রডগজ গড়ে উঠেছে। দূরত্ব কমেছে। কিন্তু পরিত্যক্ত রেললাইনের আশে পাশে কেবল স্মৃতির ধ্বংসাবশেষ । ভাঙা ব্রিজ, ভাঙা সড়ক, পাহাড়ি শহরের জরা-জীর্ণ চিহ্ন ছড়িয়ে আছে ডিমাহাসা থেকে মাইবং পর্যন্ত। গ্রীষ্মের শৈলবাস হাফলং, যাযাবর পাখির আকর্ষণীয়ালয় জাটিঙ্গা ধূসর স্মৃতির মতো ধুকছে।
সাম্প্রতিক বন্যায় নিশ্চিহ্ন অসংখ্য গ্রাম। বন্যা বলতে যা বোঝায়, উত্তর কাছাড় মিকির পাহাড়ে তার উপস্থিতি বিরল। হিমালয়ের শাখ-প্রশাখার ঝড়ো স্রোত নীচে নেমে আসে, গ্রাম শহর ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এবছর সঙ্কটের চেহারা প্রবল প্রকট। রেলমন্ত্রক ৩০ জুন পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে।মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে রেলমন্ত্রী আশ্বিনী বৈষ্ণব আশ্বাস দিয়েছেন। ১০ জুলাইয়ের মধ্যে পাহাড়ি রেলপথটি আবার চালু হয়ে যাবে । কিন্তু এ আশ্বাসের সঙ্গে বাস্তবের দূরত্ব অনেক।যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ চলছে বটে, কিন্তু ধসচিহ্ন আর ব্যাপক ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে দ্রুত পুর্ণগঠন সহজ নয়। রেলের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের মুখ্য জনসংযোগ অধিকর্তা সব্যসাচীকে জানিয়েছেন, বৃষ্টি ও নিরন্তর ধস প্রতিদিন অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
পাহাড়ি রেলপথের ধস ও বিচ্ছিন্ন যোগাযোগের খেসারত দিতে হচ্ছে বরাক ও ত্রিপুরাকে। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য আকাশ ছোঁওয়া। বিমান টিকিট সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে । যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বরাক ও পূর্ব ত্রিপুরা আকালের সম্মুখীন। দুর্ভোগ। চারদিকে দুর্ভোগ।
❤ Support Us







