- গুচ্ছ কবিতা
- এপ্রিল ১৫, ২০২৫
গুচ্ছ কবিতা
চিত্রকর্ম: আবদুল রহিম আপাভাই আলমেলকার
জল বিপদসীমা পার হয়ে গেলে
বসন্তসমীরণের মতো আতুপুতু হয়েছে শরীর।
বাতাস কোনদিক থেকে বইছে ভুলে যাই।
ঘি আলুসেদ্ধ মেখে নিমপাতা ভাত খাই।
আবিরে রোমাঞ্চ নেই, জ্বরজ্বালা আছে !
পাগলের মতো বলেই চলেছি, কেননা
এত রাগ, এত দ্বেষ এত রক্তপাত মন বিগড়ে দিয়েছে !
লজ্জার মাথা খেয়ে দারিদ্র্য দেখতে যাই,
অনাথাশ্রমে যাই,
তারপর অসুস্থ হই।
এইসব, ঢ্যামনা পরিক্রমা সেরে এলে,
বুঝি,জল আস্তে আস্তে চেতনাটুকুও মুছে নিচ্ছে।
বুঝি। কিছু করার থাকে না
চিত্রকর্ম: বীরেন দে
কলকাতা পুড়ছে,তাই আরও একটি
পলাশ রয়েছে।
অন্তরীক্ষে বাঁশিটি বাজছে।
বেঞ্চিতে রাধা ও কৃষ্ণ এসে বসবেন।
স্থলভূমি স্ফূর্তিতে কিছুটা নারাজ।
একটি পলাশগাছে রক্তমাখা শার্ট
তার তীব্র আকাঙ্খা নিয়ে ঝুলছে, দেখলাম !
বসন্তবাতাসে কিছু সম্মোহন আছে –
কোলকাতা, পথেঘাটে হায়েনা নেমেছে,
চোখ খুলে রেখো

চিত্রকর: ভানু আথাইয়া
শীতার্ত
রিরংসার কথা বলো। শরীর গরম হয়ে আসে।
কম্বলে কুলোচ্ছে না। দুকাপ পরপর চা খেয়েছি।
বয়সের গায়ে সর পড়ে আছে, যৌবনের।
যৌবনকালীন নগ্ন তপ্ত দেহের।
তোমার চোখও তো ঘোলাটে !
বলো বুক, বুকের কিশমিশের কথা।
এলাচ লবঙ্গ দারুচিনি না-দেওয়া সেই পায়েসের কথা–
বটের আঠাটি যেন !
কখনও স্বামীর মতো, কখনও পুত্রের মতো
যৌনতা দিয়েছি তোমাকে।
আজ সব পুঙ্খানুপুঙ্খ, ফিরে বলো…
♦•♦–♦•♦♦•♦–♦•♦
❤ Support Us









