- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুন ৩০, ২০২৩
নওশাদকে আবার আরাবুলের হুমকি — নির্বাচনের পর কি হাল হয় দেখবেন
ভাঙড়ের মানুষের কাছে প্রকাশ্যে বৃহস্পতিবার ক্ষমা চাইলেন আরাবুল ইসলামের ছেলে হাকিমুল ইসলাম। তখন তাঁর পাশে বসে আরাবুল ইসলাম স্বয়ং। এদিকে শুক্রবার সেই ভাঙড়েই আরাবুল ইসলাম শাসানি দিলেন আইএসএফ,সিপিএমকে। আরাবুল বললেন, “ভাঙড়ে ৮ তারিখের পর নওশাদ সিদ্দিকীর কি হাল হয় দেখবেন। ওরা কোথায় থাকবেন ভাবুক।”
আরাবুল ইসলামের এই হুঙ্কার আইএসএফ, সিপিএমের বিরুদ্ধে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি।ভাঙড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর শাসকদল মনেনয়ন পর্বে যে অত্যাচার বিরোধীদের উপর চালিয়েছে তা দেখেছে রাজ্যের মানুষ। বোমা,গুলি,এমন কি ৩টি প্রাণও এই হিংসার জন্য ঝরে পড়েছে। তৃণমূলের আক্রমণের লক্ষ্য ছিল আইএসএফ, সিপিএম। এদিকে শুক্রবার ভাঙড়ে আইএসএফ -সিপিএম যৌথ মিছিলের পরই আরাবুল ইসলামের এই হুঙ্কার।
আরাবুল ইসলামের ছেলে হাকিমুল ইসলাম এবার ভাঙড়ে জেলা পরিষদে প্রার্থী হয়েছেন। তাই তিনি চাইছেন না নিজের ভোটে কোনও রকম প্রভাব পরুক, তাই হয়তো তিনি ভাঙড়ে দাঁড়িয়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন। কিন্তু ছেলের এই ভাবে ‘ক্ষমা চাওয়া’ ও ‘ভুল স্বীকার’ করার পরের দিনই আবার স্বমহিমায় ফিরলেন আরাবুল ইসলাম ! আরাবুলের ছেলে ক্ষমা চাওয়ার পর ভাঙড় তৃণমূলের এক সময়ের দাপুটে নেতা আরাবুলের ‘ক্ষমতা’ নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল। তবে ছেলের ক্ষমা চাওয়ার পর দিনই আমার বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে আরাবুল ইসলাম বুঝিয়ে দিলেন তিনি বিন্দুমাত্র ভীত নন এবং এটাও জানিয়ে রাখলেন, ৮ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়ে গেলেই তিনি নওশাদ সিদ্দিকীকে বুঝে নেবেন।
তবে ইতিমধ্যেই আরাবুল ইসলাম সহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ভাঙড়ের কাশীপুর থানা স্বতঃপ্রণোদিত খুনের মামলা করেছিল, তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সেই মামলায় পুলিশ আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানা নেই। আর এরই মধ্যে আরাবুল ইসলাম শাসক দলের নেতা হয়ে বিরোধী দলের বিধায়ককে শাসাচ্ছেন! এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে।
❤ Support Us








