Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুন ১৭, ২০২৩

“মানুষকে ভয়মুক্ত পরিবেশ দিতে হবে, যা দেখলাম তা গণতন্ত্রের পক্ষে সুখকর নয়”, ক্যানিং থেকে বললেন রাজ্যপাল

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
“মানুষকে ভয়মুক্ত পরিবেশ দিতে হবে, যা দেখলাম তা গণতন্ত্রের পক্ষে সুখকর নয়”, ক্যানিং থেকে বললেন রাজ্যপাল

শনিবার সন্ত্রাস বিদ্ধ ক্যনিং থেকে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যে উদ্ভুত সন্ত্রাসের পরিস্থিতি বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিলেন। তিনি বলেন, “আমি ২/৩ জায়গায় গেলাম, আক্রান্ত এলাকা ঘুরে দেখলাম, অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলাম, আক্রাতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বললাম, পুলিশের সঙ্গে, অবজার্ভারদের সঙ্গে কথা বললাম। যা দেখলাম তা গণতন্ত্রের পক্ষে সুখকর নয়, খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। সন্ত্রাস, আক্রমণ, চলছে না, চলবে না, হবে না। সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে। রাজ্যপাল হিসাবে আমার কিছু দায়বদ্ধতা আছে। এটা বরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলা, তিনি বলেছেন, চিত্ত যেথা ভয় শূণ্য, বাংলার মানুষকে ভয়মুক্ত পরিবেশ দিতে হবে।”

শনিবার বিকেল ৩টে নাগাদ রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, যাবতীয় কর্মসূচি বাতিল করে ক্যানিং যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেই মতোই বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ ক্যানিং পৌঁছলেন তিনি। ক্যানিংয়ে পৌঁছেই সেচ দফতরের একটি ভবনে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। ওই বৈঠকে পুলিশ এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা ছিলেন। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বৈঠকের পর বিডিও অফিসে যাবেন রাজ্যপাল। যাবেন বুধবার হিংসা ছড়িয়ে পড়া এলাকাগুলোতেও।

বুধবার ক্যানিংয়ের যে সব এলাকা সব চেয়ে বেশি উত্তপ্ত হয়েছিল, সেই জায়গার মধ্যে একটি হল হাসপাতাল মোড়। রাজ্যপাল সেখানেও যান। রাজ্যপাল সেখানে যাওয়ার আগে বিরোধী দলগুলির প্রতিনিধিরা জড়ো হয়েছিলেন। রাজ্যপাল পৌঁছতেই তাঁরা এই মর্মে অভিযোগ জানান যে, বিডিও অফিস তৃণমূলের গুন্ডারা নিয়ন্ত্রণ করছে। তাই বিরোধী দলগুলি মনোনয়ন পেশ করতে পারেননি। তাঁরা মনোনয়ন পেশের জন্য অতিরিক্ত সময় চান। বলেন, এই যে আপনাকে এসব বলছি রাতে আমাদের বাড়িতে কিনকরবে শাসকদল জানি না। আমরা নিরাপত্তা চাই। রাজ্যপাল সবার কথা শোনেন। পুলিশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে দেখা যায় তাঁকে। তারপর গাড়িতে উঠে কলকাতায় রওনা হন রাজ্যপাল।

তৃণমূল অবশ্য রাজ্যপালের এই হঠাৎ ‘সফর’ কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ রাজ্যপালকে ‘বিজেপির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ করেন। বাম, কংগ্রেস, বিজেপির মিথ্যা অভিযোগে রাজ্যপাল ‘ধুনো দিচ্ছেন’ বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে রাজ্যপালকে আক্রমণ করে বলেন, “রাজ্যপাল কি রাজনৈতিক এজেন্ট? শুভেন্দু অধিকারীর ভয়ে যাচ্ছেন। ট্রেন দুর্ঘটনায় যাঁরা মারা গিয়েছেন, উনি তাঁদের দেখতে যাননি কেন? তৃণমূলের কেউ মারা গেলে তো যান না।”


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!