- এই মুহূর্তে বি। দে । শ
- এপ্রিল ১, ২০২৪
ভারতীয় পন্য বয়কট প্রচারের বিরুদ্ধে সরব হাসিনা।বিঁধলেন বিরোধী বিএনপিকে
বাংলাদেশের বিরোধী দল বিএনপি–র নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই ভারত বিরোধী মনোভাব পোষণ করে আসছেন। শেখ হাসিনা নির্বাচনে জিতে টানা চতুর্থ বার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি–র ভারত বিরোধী মনোভাব আরও তীব্র হয়েছে। হাসিনার বিরোধীরা তাঁকে ও তাঁর দল আওয়ামী লিগকে ‘ভারতপন্থী’ ব্র্যান্ড হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে।
বিরোধীদের দাবি, ভারত সেখ হাসিনাকে নির্বাচনে জিততে সাহায্য করেছিল। তাই তারা বাংলাদেশের জনগণকে ভারতীয় পণ্য বয়কটের আহ্বান জানিয়ে প্রচার শুরু করেছে। এর বিরোধিতা করেই বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি)–র নেতাদের আক্রমণ করেছেন শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বিভিন্ন উদাহরণ তুলে ধরে ভারতকে ‘মহান বন্ধু’ বলে প্রশংসা করেছেন। তিনি বিএনপি–র নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘বিরোধী নেতারা বলছেন, ভারতীয় পণ্য বয়কট করুন। তাদের স্ত্রীদের কত ভারতীয় শাড়ি আছে? তারা তাদের স্ত্রীদের নিয়ে ভারতে যাচ্ছেন না? যখন তারা তাদের পার্টি অফিসের সামনে নিজেদের স্ত্রীদের ভারতীয় শাড়ি পুড়িয়ে দেবে, তখনই প্রমাণিত হবে যে তারা সত্যিই ভারতীয় পণ্য বয়কট করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
বিএনপি নেতা ও তাদের স্ত্রী–রা ভারত থেকে শাড়ি কিনে বাংলাদেশে বিক্রি করেন বলেও অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, আমি তাদের নেতাদের স্ত্রী–দের দলে দলে ভারতীয় শাড়ি কেনার জন্য ভারতে যেতে দেখেছি। ভারত থেকে শাড়ি কিনে নিয়ে এসে বাংলাদেশে বিক্রি করত।’
শুধু ভারতীয় শাড়ি নয়, ভারতীয় মশলার উদাহরণও তুলে ধরেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমার আরও একটা প্রশ্ন আছে। আমরা ভারত থেকে গরম মসলা, পেঁয়াজ, রসুন, আদা এবং আরও অনেক জিনিস আমদানি করছি। বিএনপি নেতারা ভারতীয় মশলা ছাড়া রান্না করেন না? তাহলে তাদের অবশ্যই ভারতীয় মশলা ছাড়া রান্না করা খাবার খেতে হবে।’
মালদ্বীপের ‘ইন্ডিয়া আউট’–র মতোই বাংলাদেশে অনলাইনে ‘বয়কট ইন্ডিয়া’ প্রচার নিয়ে উত্তেজনা বেড়েছে। হাসিনা আবার ক্ষমতায় আসার পর, ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতীয় পণ্য ও দ্রব্যের প্রতিরোধের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকার বাজার, সাধারণত যেখানে ভারতীয় পণ্য মজুদ থাকে, সেখানে নতুন ডেলিভারি নিতে অস্বীকার করা হয়। ভারতীয় পণ্য যেমন রান্নার তেল, প্রক্রিয়াজাত খাবার, প্রসাধন সামগ্রী, প্রসাধনী এবং পোশাকের বিক্রি কমেছে। অনলাইন বয়কট প্রচারের নেতৃত্বে বেশিরভাগ বাংলাদেশিই প্রবাসী।
❤ Support Us






