Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুন ২১, ২০২৪

হিঙ্গলগঞ্জে বিপজ্জনক ক্লাস ঘর ! ছাতা মাথায় ক্লাস প্রাথমিকের পড়ুয়াদের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
হিঙ্গলগঞ্জে বিপজ্জনক ক্লাস ঘর ! ছাতা মাথায় ক্লাস প্রাথমিকের পড়ুয়াদের

বর্ষার এখনও দেখা নেই। ক্লাস ঘরে জল পড়ছে এমনটা নয়। তবু ছাতা মাথায় স্কুলে ক্লাস করতে হচ্ছে‌ !‌ ছাদের চাঙড় খসে পড়ার হাত থেকে বাঁচতে এই উপায় বার করেছেন হিঙ্গলগঞ্জের পুকুরিয়া আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, পড়ুয়ারা। বিপজ্জনক স্কুল ঘরের ছাদের চাঙর ভেঙে পড়ছে যখন তখন। তাই বিপদ এড়াতে স্কুলের পড়ুয়ারা ছাতা মাথায় দিয়ে ক্লাস করছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই অবস্থায় স্কুলের ছাত্র–‌ছাত্রীরা স্কুল করছে বলে, অভিযোগ অভিভাবকদের।

বেশ কয়েকদিন ধরে উত্তর ২৪ পরগনা হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের দুলদুলি পুকুরিয়া আদিবাসী প্রাইমারি স্কুলে ছাদের চাঙর খসে পড়ছে। বৃহস্পতিবার স্কুল চলাকালীন আচমকা চাঙড় কসে পড়ে ক্লাসের মধ্যে। অল্পের জন্য রক্ষা পায় ছাত্র ছাত্রীরা। তাই বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষার তাগিদে ছাতা মাথায় দিয়ে স্কুল করছে ছাত্র–‌ছাত্রীরা। যাতে মাথায় সরাসরি আঘাত না লাগে। এই অবস্থায় অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চাইছেন না। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে সংস্কার করতে হবে স্কুল। যতদিন না পর্যন্ত স্কুল নতুনভাবে সংস্কার না করা হচ্ছে ততদিন বিপদের মধ্যে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাবেন না ।

স্কুলের বেহাল দশা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক রুদ্রপ্রসাদ মন্ডল। তিনি বলেন, ‘‌বহুবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোন কাজ হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে ছাত্র–‌ছাত্রীরা দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে ছাতা মাথায় দিয়ে ক্লাস করছে।’‌ এই বিষয়ে স্কুলের ছাত্রীর রিম্পা সরদার বলে, ‘‌ক্লাসে বসলেই ভয় বুক ঢিপ ঢিপ করে এই বুঝি মাথায় ছাদের চাঙর পড়ল। তাই বিপদ এড়াতে ছাতা মাথায় দিয়েই ক্লাস করছি।’‌ পড়ুয়াদের দাবি , বাড়ি থেকে মা–‌বাবা স্কুলে পাঠাতে চায় না দুর্ঘটনা ঘটার ভয়। আমরা নিজের ইচ্ছায় স্কুলে আসি। আমাদের ভয়ের কথা মাস্টারমশাইদের অনেকবার বলেছি কিন্তু কোন কাজ হয়নি। অভিভাবক গঙ্গাধর সরদার বলেন দুর্ঘটনার ভয়ে ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানোই দায়। বহুবার স্কুলটির সংস্কারের কথা বলা হয়েছে কেউ কর্ণপাত করে নি। এরপর যদি স্কুল ঘর দ্রুত সংস্কার করা না হয় আমরা সব ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে আসা বন্ধ করে দেব।‌


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!