Advertisement
  • ধা | রা | বা | হি | ক রোব-e-বর্ণ
  • জুলাই ২০, ২০২৫

হিরণবালা । পর্ব ১৩

ও দেশ ছেড়ে আসার পর দাদার বাড়িতেই প্রথম উঠেছিল হিরণ । পরে হাসপাতাল কোয়াটার্সেই কেটেছে জীবন । সীমানা পেরিয়ে এদেশে এসে লাবণ্য তাই দুই মেয়ে আর বরকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে কুপার্স ক্যাম্পে । ওদের সঙ্গে এতদিন পর সময় কাটিয়ে হিরণের ভালো লাগছিল এই ভেবে যে, এদেশে এখন দাদা, বোন আর ও নিজে–তিন ভাইবোন একসঙ্গে রয়েছে । ও দেশে পড়ে রইল শুধু দিদি । সেও নিশ্চয়ই কোনো এক সময় এদেশে এসে হাজির হবে । তখন এই দেশটাই হয়ে যাবে ওদের নিজেদের দেশ । তারপর...

অংশুমান কর
হিরণবালা । পর্ব ১৩

 
২১

 
ছুটির দিনগুলোয় হিরণ রান্না করতে ভালোবাসে। আজ রবিবার। হিরণের হাসপাতালে যাওয়া নেই। অনেকখানি সময় নিয়ে আজ ও রান্না করবে। হাওড়া থেকে সত্যও এসেছে। ওদের কলেজে গরমের ছুটি পড়েছে। এখন একটা মাস সত্য থাকবে গড়বেতায়। এই রবিবার তাই ছেলেটাকে ভালোমন্দ রান্না করে খাওয়াবে হিরণ। তবে খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে দুই ভাইয়ের কোনো মিল নেই। তাই হিরণ আজ প্রথমে মুরগির মাংস রান্না করবে। তারপর আবার গুগলিও রাঁধবে। ও-দেশে হিরণ গুগলি রাঁধত না। গুগলি রাঁধতে ওকে শিখতে হয়েছে বেলিয়াতোড়ে, গোবিন্দর জন্য। গোবিন্দ বন্ধুদের বাড়ি খেয়ে এসেছিল গুগলি। ওরই তাড়ায় হিরণকে শিখে নিতে হয়েছে কেমন করে গুগলি রাঁধতে হয়। আসলে এদেশে থাকতে থাকতে রাঢ়বঙ্গের নানা ধরনের রান্না আর খাওয়া দাওয়া অভ্যেস হয়ে যাচ্ছে ওদের। বাঁকুড়ায় থাকতে যেমন প্রায়ই ওরা মুড়ির মধ্যে জল ঢেলে চপ মেখে সেই মুড়ি আর চপ-মাখা জল খাবার হিসেবে খেত। ওদেশে কখনও ওরা এমন জলখাবার খায়নি। 
 

বাইরের লোকের সঙ্গে একেবারেই বাঙাল ভাষায় কথা বলে না ওরা। হিরণ বুঝতে পারে যে, এদের পৃথিবীতে ওরা জানান দিতে চায় না যে ওরা আসলে ওদেশের লোক। এ কথা মনে হতেই মন খারাপ হয়ে যায়। মনে হয় দেশ তো একটাই ছিল। কেমন সবকিছু ওলট-পালট হয়ে গেল

 
গীতা পেঁয়াজ কাটছিল। সত্য এসে গীতার কাছে বসে বলল, তুই সর, আমি কেটে দিই। গোবিন্দ ঘরে নেই। এটাতেও তার বন্ধুদের দল হয়ে গেছে বিশাল। ফুটবল খেলতে চলে গেছে সকাল বেলা। পড়াশোনায় ছেলেটা বেশ ভালো। অঙ্ক কষে দারুণ। কিন্তু, আমার মনোযোগী খেলাধুলাতেও।
 
সত্য বলার পরেও গীতা পেঁয়াজ কাটতেই থাকলে সত্য বলল, তুই সর না, দিদি। আমি কেটে দিচ্ছি। 
 
গীতা বলল, পারবি অনে? 
 
সত্য বলল, খুব পারমু। ওখানে পেঁয়াজ কাটি তো।
 
দুই ভাই বোনে মাঝে মাঝে বাঙাল ভাষায় কথা বলে। তবে তা বাড়ির মধ্যে। বাইরের লোকের সঙ্গে একেবারেই বাঙাল ভাষায় কথা বলে না ওরা। হিরণ বুঝতে পারে যে, এদের পৃথিবীতে ওরা জানান দিতে চায় না যে ওরা আসলে ওদেশের লোক। এ কথা মনে হতেই আবার ওর একটুখানি জন্য মন খারাপ হয়ে যায়। মনে হয় দেশ তো একটাই ছিল। কেমন সবকিছু ওলট-পালট হয়ে গেল। স্বাধীনতা এল নাকি অভিশাপ মাঝে মাঝে ও সত্যিই বুঝতে পারে না। 
 
গীতা এবার বঁটির দখল ছেড়ে দিয়েছে সত্যকে। হিরণ দেখল পটু হাতে পেঁয়াজ কেটে যাচ্ছে সত্য। ও সত্যকে জিজ্ঞেস করল, ওহানে কি রোজই পেঁয়ায কাটস নাকি? 
 
সত্য বলল, রোয কাটি না। তবে কাটি তো। 
 
হিরণ বলল, মামি কি তোরে খুব কায করায় নাকি রে?
 
উত্তরে সত্য যা বলল তা থেকে হিরণ বুঝতে পারল যে, বাজারহাট করা থেকে শুরু করে রান্নাবান্নায় সাহায্য — এমন নানা ধরনের কাজ সত্যকে করতেই হয় দাদার বাড়িতে। সেসব নিয়ে ছেলেটার অবশ্য কোনো অভিযোগ নেই। বরং ও যে কলকাতার একটা কলেজে পড়তে পারছে, সেটা নিয়েই বেশ গর্ব আছে সত্যর। বিনা পয়সায় মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতে গেলে যে এ সমস্ত ফাই ফরমাস খেটে দিতেই হবে, তা যেন ও বুঝেই নিয়েছে। জীবন মানুষকে অনেক সত্যই খুব দ্রুত বুঝিয়ে দেয় আর তা মেনে নিতেও শিক্ষা দেয় বৈকি ! হিরণও তো এইরকম কত ধরনের সত্য মেনেই নিয়েছে। শুধু একটা সত্য মেনে নিতে ওর খুব কষ্ট হয়। ও বিশ্বাসই করতে পারে না এখনও যে, মানুষটাকে ও আর কোনোদিন দেখতেই পাবে না। ছেলে মেয়ে বড়ো হয়েছে ঠিক। কিন্তু ওর যৌবন তো এখনও যায়নি। কোনো কোনো রাত্রে ওর শরীরওতো মানুষটার ছোঁয়া চায়। ওর কেন জানি না মনে হয়, কোনো একদিন মানুষটা ফিরে আসবে, আবার আদরে আদরে ভরে দেবে ওকে। এইসব উলটোপালটা ভাবনা ভাবতে ভাবতেই উনুনে বসানো দুধটা উথলে উঠেছিল। 
 
গীতার চিৎকার করে উঠল, আরে মা, তুমি করটা কী!
 
সম্বিত ফিরে এল হিরণের। সাঁড়াশি দিয়ে দুধের পাত্রটাকে ধরে সঙ্গে সঙ্গে উনুন থেকে নামাল হিরণ। খানিকটা দুধ ততক্ষণে উনুনের মধ্যে পড়ে গেছে। দুধ পোড়ার একটা বিশ্রী গন্ধ ছড়িয়ে গেল ঘরময়। হিরণের মনে হল, জীবনে একটা মুহূর্তও আর অসতর্ক হওয়া যাবে না। ওর নিজের জীবন পুড়ে গেছে অনেকখানি। ওর জীবন থেকে সেই পোড়া গন্ধ এখনও যায়নি। সত্যর একটা চোখ ইতিমধ্যেই নষ্ট হয়ে গেছে। ও কিছুতেই চায় না কোনো ক্ষতি ওর ছেলেমেয়েদের হোক। দুধ পুড়ে যাওয়ার মতো ছোট্ট এই ঘটনাটা যেন ওকে জীবনের এক বড়ো বার্তা দিয়ে গেল বলে হঠাৎ ওর মনে হল। মনে হল ছেলেমেয়েগুলোকেও যত বেশি সম্ভব স্বনির্ভর করে তুলতে হবে। কাল যদি ওর কিছু হয়ে যায়, তাহলে দাদা ছাড়া ওদের দেখাশোনা করার আর কেউ থাকবে না। দাদাই বা নিজের সংসার টেনে কতখানি চাপ আর নিতে পারবে! 
 
ওর হঠাৎ মনে হল গীতাকে দিয়ে আজ মাংস রান্না করালে মন্দ হয় না। এটা অনেক রান্না শিখে গেছে কিন্তু মাংস এখনো রাঁধেনি। ও গীতাকে বলল, কী রে আজ মাংসখান বানাইবি নাকি? 
 
গীতা সাগ্রহে এগিয়ে এসে দই মাখিয়ে রাখা মুরগির পিস গুলোতে নুন হলুদ দিতে শুরু করল। সত্য বলল, আমিও করুম, আমিও করুম। হিরণ ভেবেছিল ও নিজে আজ মাংস রাঁধবে সত্যর জন্য, উলটে দুই ভাইবোনে মাংস রাঁধতে শুরু করল। তখনই ঘরে একটা ঝড়ের মতো এসে ঢুকল গোবিন্দ। ওর গোটা গায়ে, হাতে, পায়ে ধুলোয় ভরতি। দেখে মনে হচ্ছে ফুটবল খেলে আসেনি, মাটির রাস্তায় গড়াগড়ি দিয়ে এসেছে। ও দৌড়ে এসেই হিরণকে জড়িয়ে ধরতে যাচ্ছিল। হিরণ বলল, ছুঁইস না, ছুঁইস না আমাকে। কিন্তু গোবিন্দ শুনল না। ওই নোংরা, ধুলো-ভরতি গা-হাত-পা নিয়েই জাপটে ধরল হিরণকে। খিলখিল করে হেসে উঠল গীতা আর সত্য। হিরণের সাদা থানে লাল লাল ছোপ লেগে গেল। ময়লা হয়ে গেল সকালবেলায় পরা কাচা কাপড়। কিন্তু ওর মনে হল এই ধুলো-ময়লার মধ্যে আসলে ময়লা নেই। আছে ঐশ্বর্য।
 


২২

 
হেলথ সেন্টারের নার্সদের সমস্যা অনেক। এই হেলথ সেন্টার বা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো সবই গ্রামে অবস্থিত। এই ছোটো ছোটো প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ডাক্তারবাবুরা অধিকাংশ সময়েই গ্রামে থাকেন না। থাকেন শহরে। শনি-রবিবার তারা শহরে ফিরে যান। তখন এই হেলথ সেন্টারগুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য কেবল কম্পাউন্ডার আর নার্সরাই ভরসা। শনি-রবিবার বেশ কয়েকবারই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে হয়েছে হিরণ। সামলেও দিয়েছে। কিন্তু এবার যে-ঘটনাটা ঘটেছে তা সামলানো বেশ মুশকিল হবে বলেই মনে হচ্ছে হিরণের। 
 

হাসপাতালে যা হল, তা হিরণ কল্পনাও করতে পারেনি। স্ত্রীকে হারিয়ে বছর পঁয়ত্রিশের ছেলেটি পাগলের মতো কাঁদছিল। কাঁদতে কাঁদতেই হঠাৎ  পেশেন্টদের বসার টুলগুলো তুলে নিয়ে আছাড় দিতে থাকল বারান্দায়। মুহূর্তের মধ্যেই হাসপাতাল হয়ে উঠলো রণক্ষেত্র 

 
এই হাসপাতালে কোনো ওটি নেই। ছোটোখাটো অস্ত্রোপচার করা গেলেও বড়ো কোনো অপারেশন করার কোনো বন্দোবস্তই এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে থাকে না। রুগির গুরুতর কোনো সমস্যা আছে দেখলেই তাই বড়ো হাসপাতালে তাদের রেফার করা হয়। তবে একটা চাপ ওদের নিতেই হয়। তা হল ডেলিভারির চাপ। সন্তানের জন্ম দিতে গরিব মানুষের এই হেলথ সেন্টারগুলো ছাড়া ভরসা নেই। মাঝে মাঝে ডাক্তারবাবুদের একটু রিস্ক নিয়েই তাই ডেলিভারি করাতে হয়। ডেলিভারির পর রুগি কখনো-কখনো ক্রিটিকালও হয়। আজ পর্যন্ত সেসব পরিস্থিতি হিরণ দক্ষ হাতেই সামলেছে। সবক্ষেত্রেই সঙ্গে ছিলেন ডাক্তারবাবুরা। এইবারই কেবল ডাক্তারবাবু নেই। শুক্রবারদিন ডাক্তারবাবুই এই পেশেন্টের ডেলিভারি করিয়েছিলেন। নরমাল ডেলিভারি। কোনো সমস্যা হয়নি। ডাক্তারবাবু তাই শনিবার দিন চলে গিয়েছিলেন মেদিনীপুরে। ওঁর বাড়ি ওখানেই। শনিবারও রুগি ভালোই ছিল। কিন্তু আজ সন্ধেবেলা থেকেই মেয়েটির অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে শুরু করেছে। প্রেসার ভয়ংকর রকম লো হয়ে গেছে। ওআরএস, ওষুধ–কোনো কিছুতেই কোনো কাজ হচ্ছে না। সন্ধেবেলা ওকে গিয়ে মেয়েটির অবস্থা যে ক্রমশ খারাপ হচ্ছে সে-খবর দিয়েছিল দয়ারামদা। দয়ারামদা এই হেলথ সেন্টারের গ্রুপ ডি স্টাফ। খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে চলে এসেছিল হিরণ। দেখেছিল ইতিমধ্যেই হাজির হয়েছে কম্পাউন্ডার কল্যাণদাও। কিন্তু দু-জনে মিলে কিছুতেই পরিস্থিতির সামাল দিতে পারছে না। দয়ারামদাকে মেদিনীপুর পাঠিয়ে যে ডাক্তার বাবুকে খবর পাঠাবে, সে উপায়ও আর নেই। শেষ বাস অনেকক্ষণ আগে চলে গেছে। ট্রেনে পৌঁছে খবর দিয়ে ডাক্তারবাবুকে নিয়ে আসতে আসতে কাল সকাল হয়ে যাবে। এদিকে মেয়েটির বাড়ির লোকজন এসে বারবার জিজ্ঞেস করছে মেয়েটির অবস্থার কথা। কোনোরকমে এটা-ওটা  নানা কথা বলে তাদেরকে ঠেকা দিয়ে দিয়ে রেখেছে হিরণ। কিন্তু ও জানে না শেষ পর্যন্ত কী হবে। বারবার ঠাকুরকে ডাকছে হিরণ। বলছে, মা কালী দেখো, এই বিপদ থেকে আমাদের রক্ষা করো। 
 
বিপদ থেকে মা কালী কিন্তু হিরণকে রক্ষা করল না। সারারাত এক ফোঁটা না-ঘুমিয়ে কল্যাণদা আর হিরণ মিলে যতদূর সম্ভব চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তবু মেয়েটি বাঁচল না। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই পৃথিবীর মায়া ছাড়ল মেয়েটি। তারপরে হাসপাতালে যা হল, তা হিরণ কল্পনাও করতে পারেনি। মেয়েটির বর চাষি। একেবারেই অশিক্ষিত মানুষ। তার বন্ধুবান্ধবরাও তেমনই। স্ত্রীকে হারিয়ে বছর পঁয়ত্রিশের ছেলেটি পাগলের মতো কাঁদছিল। কাঁদতে কাঁদতেই হঠাৎ তারপর হাসপাতালের ছোট্ট এক ফালি বারান্দায় পেশেন্টদের বসার জন্য রাখা ছোটো ছোটো টুলগুলো তুলে নিয়ে আছাড় দিতে থাকল বারান্দায়। মুহূর্তের মধ্যেই তার বন্ধুরাও হাসপাতালে বাইরে বারান্দায় আর যে ঘরটায় ওপিডি করা হয় সেখানে যা যা আসবাপপত্র ছিল ছিল, ভাঙচুর করতে শুরু করল। রণক্ষেত্র হয়ে গেল পুরো হাসপাতাল। 
 
ওরা যখন থামল তখন হাসপাতালের ক্ষতি হয়ে গেছে বিস্তর। এইরকম একটা ঘটনার মুখোমুখি হয়ে  হিরণ একেবারে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল। ও দেশ ছেড়ে তিনটি ছোটো ছেলেমেয়ের হাত ধরে এদেশে আসার সময়ও হিরণ এতখানি ঘাবড়ে যায়নি। যতক্ষণ ভাঙচুর চলছিল ওর মনে হচ্ছিল হৃৎপিণ্ড বুঝি বুকের ভেতর থেকে গলা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসবে। ওর ভয় করছিল উন্মত্ত বারো-পনেরোটা লোক ওকে,  কল্যাণ দাকে আর দয়ারামদাকে মেরেও ফেলতে পারে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য হয়তো হাসপাতালে ভরতি থাকা অন্য দু-তিনটি রুগিদের কথা ভেবেই ওই তাণ্ডব থামল।
 
কিন্তু এই ঝড়ের ফল হল মারাত্মক। রুগিটির মৃত্যু আর হাসপাতালের তাণ্ডব নিয়ে একটা ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারি হল। ডাক্তারবাবু এবং হিরণ–দু-জনকেই বদলি করে দেওয়া হল গড়বেতা থেকে। ডাক্তারবাবুকে বদলি করে দেয়া হল উত্তরবঙ্গের ময়নাগুড়িতে। হিরনকে অবশ্য অতদূর যেতে হবে না। কিছু দূরে ছোট্টগ্রাম রামসাগর। রামসাগরের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বদলি করা হয়েছে ওকে। বদলির অর্ডার যেদিন হাতে পেল হিরণ ওর মনে হল, কোথায় গিয়ে স্থির হবে ওর এই পদ্মপাতায় জলের মতো টলমল করতে থাকা জীবন ?
 

♦•♦–♦•♦♦•♦–♦•♦

ক্রমশ..
 
আগের পর্ব পড়ুন: হিরণবালা । পর্ব ১২

হিরণবালা । পর্ব ১২


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!